নান্দাইলে ১৪ মাস ধরে বিনা অনুমতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা
অনুপস্থিত
দুর্নীতির মাধ্যমে হঠাৎ
অন্যত্র বদলির অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার ● নান্দাইল নিউজ
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কপালহর সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আইরিন সুলতানা নামে এক সহকারী শিক্ষিকা বিনা অনুমতিতে দীর্ঘ প্রায়
১৪ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে
বিভাগীয় মামলা হলেও অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ওই শিক্ষিকা হঠাৎ অন্যত্র বদলি হওয়ায় এলাকায়
চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, বিগত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যবধি উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত
কপালহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। এর পরে ০৭ এপ্রিল সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ওই শিক্ষিকাকে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত
থাকায় কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। জবাব না পেয়ে ২৭ আগষ্ট
তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু হয় ( স্মারক নং জেপ্রশিঅ/ময়মন/বিমা (নান্দাইল)/২০১৫/
২৪০০) । ওই শিক্ষিকা বিভাগীয় মামলার পরও কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দেননি। এরপর চলতি বছরের ০২ মার্চ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে সহকারী
পরিচালক (বিদ্যালয় ১) দেবেশ চন্দ্র সরকার স্বাক্ষরিত এক বদলির আদেশে জানা যায়,
সহকারী শিক্ষিকা আইরিন সুলতানাকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার
কলাকাটা হামছাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।
উপজেলার কপালহর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষিকা কনিকা রানী দাস বলেন, বিনা অনুমতিতে
সহকারী শিক্ষিকা আইরিন সুলতানা অনুপস্থিত রয়েছেন। এখন শুনতেছি তিনি অন্যত্র বদলি হয়েছেন। তাঁকে বদলির জন্য আমার
প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ছাড়পত্র বা অনাপত্তিপত্র দেয়া হয়নি।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা
কর্মকর্তা মো. শফিউল হক বলেন, এই বদলিটির ক্ষেত্রে
জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কোন যোগসূত্র নেই। বদলিটি মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে করা হয়েছে।
(প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অনুমতি ছাড়া ‘নান্দাইল নিউজ’-এর ওয়েবসাইটের কোন অংশ,লেখা বা ছবি নকল করা
বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। তবে আমাদের প্রিয় পাঠকগণ
যে কোন নিউজ ও ছবি ফেসবুকে শেয়ার করলে কোন আপত্তি থাকবে না)